সাভারে সওজের জায়গায় দখল করে বহুতল ভবনসহ প্রায় ২ হাজার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
সাভারে সওজের জায়গায় দখল করে বহুতল ভবনসহ প্রায় ২ হাজার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

স্টাফ রিপোর্টার : সাভারে চলমান উচ্ছেদের দ্বিতীয় দিনে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুই পাশে অবৈধভাবে গড়ে তোলা অর্ধসহস্রাধিক অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সড়ক ও জনপথের জায়গায় গড়ে ওঠা স্থায়ী অস্থায়ী মার্কেট ভবনসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টা হতে সাভার থানা বাসস্ট্যান্ড থেকে সাভার বাজার বাসষ্ট্যান্ডের দুই পাশে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। সড়কে ও জনপথ বিভাগের জমিতে নির্মিত সুহাসি টাওয়ার,পাকিজা ডায়িং ফ্যাক্টরী সীমানা প্রাচীর ও অস্থায়ি সেড,বেশ কয়েকটি কাচা বাজার উচ্ছেদ করা হয়। শুধু মাত্র পাকিজা ডায়িংয়ের দখল হতে প্রায় ৩০ শতাংশ জমি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান অভিযানে থাকা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মাহবুবুর রহামান ফারুকী। তিনি আরও জানান পাকিজা ডায়িং কারখানার দখলে থাকা আরও জমি উদ্ধার করার প্রক্রিয়াধীন। তারা ৩০০ টাকার ষ্ট্যাম্পে ৫দিন সময় নিয়েছে। কারন তাদের দখলে থাকা এ অংশে মেশিনপত্র ও বৃহৎ সাইজের কয়েকটি গ্যাস সিলিন্ডার রয়েছে।

অভিযানকালে জমির মালিকানা দলিল, পর্চা, নক্সাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বেশ কয়েকজন স্থাপনার মালিক উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনাকারী দলের কাছে পেশ করেন। তারা বিনা নোটিশে ভবন ভাঙ্গার কারন জানতে চান। এসময় উচ্ছেদ অভিযানের সাথে থাকা নির্বাহী প্রকৌশলী, সার্ভেয়ারসহ অন্যান্যরা জানান আগেই সকলকে জানানো হয়েছে। বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক দল ও প্রেসক্লাবে আমরা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করার কথা জানিয়েছি। পাকিজা কারখানা হতে জমি উদ্ধারের সময় কারখানাটির কয়েক কর্মকর্তা প্রতিবাদ করলে উত্তেজনা দেখা দেয়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ বিতন্ডার ঘটনায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের লোকজন বলেন, আমাদের মাপের মধ্যে পড়া সকল প্রকার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চলছে আপনার কোন কিছু বলার থাকলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে গিয়ে অভিযোগ করেন।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও যুগ্মসচিব মাহবুবুর রহমান ফারুকী জানান অভিযানে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী, সার্ভেয়ার, স্টাফ অফিসার ,জেলা পুলিশ,হাইওয়ে পুলিশ,বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মী,তিতাস গ্যাস অফিসের কর্মীসহ দেড়শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী এ উচ্ছেদ অভিযানে অংশগ্রহন করেন। তবে অভিযানের নিরাপত্তা দেয়ার জন্য বিপুল সংখ্যক পুলিশের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। উচ্ছেদ অভিযানের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযানে থাকা ম্যাজিষ্ট্রেট আরও জানান মহাসড়কের দুই পাশের সকল প্রকার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে এ অভিযান চলবে।  সকল অবৈধ স্থাপনা গুলোকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়া হয় বলেও জানান তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here