অনলাইন ডেক্স : Bangla24 News

নিজস্ব প্রতিবেদক :  সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নে, জনপ্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় করে, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, নিরলসভাবে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে ইউপি সচিব মীর আব্দুল বারেক। করোনা ভাইরাস কে কেন্দ্র গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কি কি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে, তেঁতুলঝোড়া ইউপি সচিব মীর আব্দুল বারেক সাংবাদিকদের বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে মাইকিং করে গ্রামে গ্রামে জনসচেতনতা মূলক প্রচার চালিয়ে যাচ্ছি।

এবং প্রবাস ফেরত নাগরিকদের সচেতনতামূলক নির্দেশনা দিয়ে হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরন। এছাড়াও মহামারী করোনাভাইরাস যেন আমাদের সমাজে ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সেজন্য জনসমাগম এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে লকডাউন নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

গোটা বিশ্ব মহামারী করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে রয়েছে সেই সাথে আমাদের দেশ ও লক ডাউন করে দেয়া হয়েছে, যার কারণে খেটে খাওয়া মানুষের কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে, তাই খাদ্য সংকটে পড়া অসহায় দুস্থ গরিব দুঃখীদের তালিকা নিশ্চিত করে তাদের ঘরে খাবার পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নে অসহায় দুস্থ গরিব দুঃখী প্রায় ১২,০০০ হাজার জনের তালিকা তৈরি করে ইউ এন ও অফিসে পাঠানো হয়েছে। পর্যায় ক্রমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন এর অসহায় দুস্থ মানুষের জন্য ১৫ মেট্রিক টন জি আর এর চাউল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং সেটি বিতরণ সম্পন্ন করা হয়েছে।

আরোও পড়ুন>>> এক মাসেই চুল লম্বা করতে চান

এছাড়াও ৩০,৩৫৭ টাকার শিশু খাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এসকল ত্রাণকার্য বিতরন কালে, টিপ সই নেওয়ার সময় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হয় না, যার কারণে সাধারণ মানুষের সংস্পর্শে আসতে হয় যেটা কিনা স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি আরো বলেন করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবে ইউনিয়নস্থ সরকারের অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ ছুটি ভোগ করলেও, আমরা ইউপি সচিব জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তৃণমূলের জনগণকে সেবা প্রদান সহ, সরকারি নির্দেশনা পালন করছি। বৈশ্বিক এই মহামারীর কারণে সরকার জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত, বেকার, কর্মহীন, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষদের জীবনের নিরাপত্তা, খাদ্য নিরাপত্তা, জীবন যাত্রার মান স্বাভাবিক রাখতে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আর এই কাজ বাস্তবায়নের অন্যতম হাতিয়ার হচ্ছে স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর ইউনিয়ন পরিষদ।

আমাদের ইউটিউব>>> ভিজিডি কার্ডধারী ৯৩ জন উপকারভোগীর মাঝে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে

বর্তমান প্রেক্ষাপটে ইউনিয়ন করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সদস্য -সচিব হিসেবে জনগণকে সচেতন করণ, আগত প্রবাসীদের তালিকা করণ, হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরন, লকডাউন বাস্তবায়নে জনগণকে উদ্বুদ্ধকরণ, দুঃস্ত, কর্মহীন উপকার ভোগীদের তালিকা করন, দুঃস্থদের বরাদ্দকৃত জরুরি ত্রাণ, ভিজিডি, জি. আর চাল উত্তোলন, পরিবহন, গুদামজাতকরণ, জনপ্রতিনিধি ও দুঃস্থদের অবহিত করণ, ত্রাণ বিতরণ, মাস্টাররোল করন, স্টক রেজিস্টার হালনাগাদ করণ, জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা করণ, পত্র যোগাযোগ, রিপোর্ট দাখিল ও রিসিভ করণ সহ সরকারি নির্দেশনা ও দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।

বিশেষ করে ত্রাণ বিতরণ কালে উপকারভোগীদের স্বাক্ষর /টিপসহি গ্রহণের সময় ও অন্যান্য অফিশিয়াল গুরুত্বপূর্ণ সেবা দিতে গিয়ে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ইউ,পি সচিবগন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনার আলোকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানবতার সেবায় অগ্রসর হয়ে দিনরাত নিরলসভাবে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছি আমরা ইউ,পি সচিবগন। এমতাবস্থায় আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সহ বিশেষ প্রণোদনা সুবিধা প্রদান এর আওতায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য, বিশেষ অনুরোধ জানিয়ে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে একটি লিখিত আবেদন জানিয়েছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here