আশুলিয়া প্রতিনিধি : আশুলিয়ায় বাবা-মা’র কাছে বেড়াতে এসে ১১ বছরের মেয়ে শিশু ধর্ষণের ঘটনার ৭ দিন পর ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার ধর্ষক আদালতে পাঠালে সে বিজ্ঞ বিচারকের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মোহাম্মদ জিয়াউল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে মঙ্গলবার (০৭ জানুয়ারি) রাতে তাকে পাথালিয়া ইউনিয়নের গকুলনগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ধর্ষকের নাম কুতরত আলী। বর্তমানে গকুলনগর এলাকায় বসবাস করে পোশাক কারখানা চাকরি করে। তার গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর এলাকায়।

তদন্তের দায়িত্বে থাকা আশুলিয়া থানার এসআই মো রকিবুল হাসান জানায়, আমবাগান এলাকায় বাসা ভাড়া খুঁজতে গিয়ে শিশুকে দেখে তাকে ধরে নিয়ে একটি পরিত্যক্ত ঘরে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত কুতরত আলী। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিততে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রকিবুল হাসান আরও জানান, ঘটনার পর কুদরত বাসা পরিবর্তন করে অন্য বাসায় চলে যায়। এদিকে তার পরিবারকে গ্রামের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছে। পরে মঙ্গরবার রাতে কুতরত নিজেও পালিয়ে যাওয়া চেষ্টা করছিলো। মূলত ঘটনা ঘটার আগে আমবাগান এলাকায় কুদরত বাসা খুঁজতে গিয়ে একজনের কাছে নিজের মোবাইল নম্বর দিয়েছিলো। সেই নম্বরের সূত্র ধরে তাকে চিহ্নিত করা হয়।

ভুক্তভোগী শিশুর দাদী বলেন, এই মাসুম বাচ্চার ধর্ষকের বিচার চাই। আমি আর কিচ্ছু চাই না এই দুনিয়াতে। তাকে (ধর্ষক) যেন জীবনের তরে শিক্ষা দেয়া হয়।

প্রসঙ্গত, গত ২ জানুয়ারি সন্ধ্যায় সাভারে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন আমবাগান এলাকায় ১১ বছর বয়সী এক শিশু অজ্ঞাত ব্যক্তির কাছে ধর্ষণের শিকার হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দেয়া হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here